পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং – আউটসোর্সিং এর কাজ করে বাড়তি উপার্জন করুন

ফ্রিল্যান্সিং কী?

ফ্রিল্যান্সিং: বর্তমান সময়ে তরুনদের কাছে সবচাইতে আলোচিত একটি শব্দ টি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং একটি চুক্তি ভিত্তিক পেশা যেখানে কোনও সংস্থায় নিয়োগের পরিবর্তে ব্যক্তি তার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি ক্লায়েন্টকে পরিষেবা প্রদান করে।

সহজ কথায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোন কাজ করাকে  ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) বলে । আরো ভালভাবে বলতে গেলে, আমরা সাধারণত দেখতে পাই বিভিন্ন Computer এর দোকানে Graphics এর কাজ জানে এমন মানুষেরা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্টানে MS Office এবং Data Entry এর কাজ জানে এমন মানুষেরা কাজ করে । তারা একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে নির্দিষ্ট সময় মেনে দীর্ঘ সময় ধরে একই BOSS এর কাজ করে । একই কাজগুলো Online এ “Contract Basis” কাজ করাকেই Freelancing বলা হয় । এই কাজগুলো সাধারণত Short Time হয় এবং Worker এবং Buyer এর মধ্যে যৌথ সম্মতিতে হয় ।

অনেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে একজন মুক্ত পেশাজীবী (ফ্রিল্যান্সার) হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। যাঁদের কম্পিউটার, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ আছে, তাঁরা যথাযথ দক্ষ হয়ে ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে কাজ করতে পারেন। সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। জেনে নিন সেগুলো :

পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং – আউটসোর্সিং এর কাজ করে বাড়তি উপার্জন করুন -Freelancing Carrier

আরও পড়ুন :

ফ্রিল্যান্সিং কাজের চাহিদা বাড়ছে – Freelancing Work

ফাইবারে কাজ পেতে যা যা করতে পারেন – সহজে প্রচুর কাজ পাবেন ফাইভার মার্কেটপ্লেসে

আপওয়ার্ক প্রোফাইল তৈরি করবেন যেভাবে – নিয়ম নীতি গুলো জেনে নিন

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কি ধরনের কম্পিউটার প্রয়োজন হয় ?

ফ্রিল্যান্সিংয়ের ৭ টি জনপ্রিয় কাজ ! উপার্জন করতে পারবেন লক্ষ টাকা

১. ফ্রিল্যান্সিং একটু কম বয়স থেকে শুরু করা ভালো, কারণ পড়াশোনার পাশাপাশি আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনাকে যেহেতু দুটো কাজ সমান্তরাল ভাবে করতে হবে যেমন পড়াশোনা করা এবং অনলাইন কাজ শেখা ও করা। তবে একাজে যথেষ্ট ধৈর্য থাকতে হবে।

২. প্রথমেই আপনাকে ইন্টারনেট সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা থাকতে হবে। এরপর আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে কোন বিষয়টি নিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান, মানে আপনি কোন বিষয়ের উপর কাজ করতে ভালো লাগে এবং পারদর্শী যেমন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), গ্রাফিকস ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট , কন্টেন্ট রাইটিং , ডিজিটাল মার্কেটিং প্রভৃতি। এরপর ওই নির্দিষ্ট বিভাগ সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করুন।

৩. আপনি SEO নিয়ে কাজ করলে Digital Marketing সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা লাভ করতে হবে , যা আপনাকে একটি স্থায়ী ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করবে।

৪. প্রাথমিক ধারণা লাভের জন্য আপনি  গুগল মামা ও ইউটিউবে  খোঁজ করুন, পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং কমিউনিটি যেমন আপওয়ার্ক বাংলাদেশ, ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ, টেক ফোরাম বা আরও ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে যুক্ত থাকতে পারেন।

৫. পাশাপাশি আপনি একজন ভালো  মেন্টর ও ভালো গাইডস অথবা শিক্ষক খুঁজে বের করে তার কাছ থেকে কাজ শিখে নিতে পারেন।

৬. কাজ শেখার পর স্থানীয় কিছু  সহজ কাজ করে আপনি পোর্টফোলিও তৈরি করুন।

৭. এরপর ভালো মার্কেটপ্লেস যেমন Upwork ,Freelancer বা ফাইবারের মতো প্ল্যাটফর্মে নিজের প্রোফাইল তৈরি করুন।

৮. পাশাপাশি অনুরোধ থাকবে, আপনার পড়াশোনার ক্ষতি করে কাজ করবেন না। । পড়াশোনার পাশাপাশি সময় পেলে দক্ষতা বাড়ান অথবা অবসর সময়ে কাজ করতে পারেন।

উপসংহার:

আপনি যাই করুন না কেন , পড়াশোনা ঠিক রেখে তারপর কাজ করুন।শিক্ষার মূল্য চিরদিনই থাকবে। আপনি চাহিলে এই সময় আপনি কাজ শিখতে পারেন ও এর পাশাপাশি ইংরেজির দক্ষতা বাড়াতে পারেন। সব শেষে আর্টিকেল টি ভালো লাগলে অবশ্যই আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

Share Now!

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.