যে কোন কারনেই – আপনি কি হতাশ ? – নিরাশ হচ্ছেন

হতাশ
যে কোন কারনেই – আপনি কি হতাশ – নিরাশ হচ্ছেন

হতাশ হবেন না।আপনি কি চাছেন আল্লাহ সব জানেন।আপনি কতোটা কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন সেটা অন্য কেউ না জানলেও মহান আল্লাহ জানেন।আপনার মনের কথাগুলো আর কেউ জানুক  বা না জানুক  আমাদের আল্লাহ ঠিকই জানেন। আপনার মনের মধ্যে থাকা হতাশা দূর করতে, এই পোস্টটি খুবি কাজে দিবে ইনশা আল্লাহ।

 

আরও পড়ুনঃ আপনার দেখা সবচেয়ে অদ্ভুত চিত্র কোনটি, যেটি কোনো এক শিশু এঁকেছে?

যে কোন কারনেই – আপনি কি হতাশ ? – নিরাশ হচ্ছেন

 

♢যখন আপনি কষ্টের পতিত হন  তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন পবিত্র কোরানে মহান আল্লাহ বলেন,  নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে আছে স্বস্তি (সুরা আলাম নাশরহ:৬)।
♢যখন জীবনে না পাওয়ার বেদনা আপনাকে ঘিরে ফেলে তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন।মহান আল্লাহ বলেন, শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এতো দিবেন যে,তুমি খুশি হয়ে যাবে (সুরা দুহা:৫)।
♢যখন কোনো কাজকে আপনার কাছে কঠিন, অসম্ভব বলে মনে হয় তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন। মহান আল্লাহ বলেন, আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন (সুরা তালাক)।
♢যখন বিপদে আপনি দিশেহারা হয়ে পড়েন তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন।মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহর সাহায্য নিকটে (সুরা বাকারা:২১৪)।
♢যখন আপনি কষ্টের মধ্যে দিয়ে আপনার জীবন অতিবাহিত করেন আর চিন্তা করেন কবে এই কষ্ট থেকে মুক্তি পাবেন তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন ।মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দেবেন (সুরা তালাক:৭)।
♢আপনি আল্লাহর কাছে কিছু চেয়েছিলেন কিন্তু পান নি তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন। মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তরে ভালো কিছু দেখেন তাহলে তোমাদের কাছ থেকে যা নেওয়া হয়েছে তা থেকে উত্তম কিছু তোমাদের তিনি দান করবেন আর তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন।আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু (সুরা আনফাল:৭০)।
♢যখন আপনার পরিকল্পনাগুলো সফল হয় না তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন। মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহ সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী (সুরা ইমরান:৫৪)।
♢যখন আপনি কাউকে ভরসা করতে পারেন না তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন। মহান আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট (সুরা তালাক:৩)।
♢যখন আপনি বারবার ব্যর্থ হওয়ার কারণে হতাশা আপনাকে ঘিরে ধরে তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন।মহান আল্লাহ বলেন, আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না।তুমিই জয়লাভ করবে যদি তুমি বিশ্বাসী হও (সুরা আল ইমরান:১৩৯)।
♢যখন আপনার কাছে দুনিয়ার কষ্টগুলো বেশি বলে মনে হয় তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন।মহান আল্লাহ বলেন, তোমরা দুনিয়ার জীবনকেই প্রাধান্য দিচ্ছো।অথচ আখিরাত সর্বোত্তম ও স্থায়ী (সুরা আ’লা:১৬-১৭)।
♢যখন আপনি বিষণ্ণ হয়ে পড়েন তখন কুরআনের এই আয়াতটির দিকে খেয়াল করুন।মহান আল্লাহ বলেন,  জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায় (সুরা রাদ:২৮)।

শেষ কথাঃ 

সর্বদা আল্লাহর কথা সরন করুন(বিপদে , আপদে) , কুরআন পড়া জানলে নিয়মিত কোরআন পুড়ন দেখবেন মন ভাল হয়ে যাবে।না জানলে কোন কারি বা হুজুরের বয়ান ও তেলাউত শুনুন।
কোন গান বাজনা আপনাকে শান্তি দিতে পারবে না । বেশি বেশি নফল এবাদাত করুন । আল্লাহর কাছে চান, কারন তিনি সকল বাদশাহির বাদশা । তার কাছে অভাব বলতে কোন অপশন নেই ।
মনোযোগ দিয়ে চান । তাহাজুত নামাজ পড়ুন, কারন সারা দিন আমরা আল্লাহ কে ডেকে থাকি আর শেষ রাতে স্বয়ং আল্লাহ তার বান্দাদের ডাকেন । যে কোন ভাল কাজের জন্য এই তিনটি কাজ করুন,  প্রথমে নিয়ত করুন , তার পর  দুয়া করুন এবং কাজ টি মন যোগ দিয়ে করুন হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ ।
Share Now!

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: This Content is CopyWrite Protected !! BY DMCA