প্রেমিকার স্থান দখলে নিচ্ছে সেক্স রোবট – বিপর্যয়ে মানব সভ্যতা – যৌন কর্মীর ভূমিকায় রোবট

প্রযুক্তি কল্যাণে মানুষের কাজ অনেক অংশেই সহজ হয়ে গেছে । মানুষের কোনও চাহিদা পূরণে বাকি রাখবে না প্রযুক্তি বিদ্যা । বর্তমান সময়ে সবচে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘ । এক কথায় , বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরির চেষ্টা । আর এই প্রচেষ্টায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে রোবট ইন্ডাস্ট্রি ।প্রযুক্তির  এই অগ্রগতিতে  মানুষের যৌন জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। এক সময় সেক্স ডল ছিল নিশ্চল কিন্তু বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেক্স রোবট তৈরির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন গবেষকরা । আর সেই রোবটের সঙ্গে প্রেম করতে পারবে মানুষ! করতে পারবে যৌন সম্পর্কও!

এসব রোবট যেমন হবে ,আবেদনময়ী, তেমনি মানুষের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে এই সেক্স রোবট গুলো । তারা কথা বলতে পারবে একজন নারীর মত করে, দেখাতে পারবে আবেগ-অনুভূতি ও Sex Expression । অনেক মানুষ এমন রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে চান, এমন চাহিদার কথা বিবেচনা করে তৈরি হচ্ছে স্মার্ট সেক্স রোবট ৷ এই সেক্স রোবট এর চাহিদা বেড়েই চলছে । ইউরোপ ও মধ্য প্রাচ্য সহ অনেক দেশিই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেক্স ডল দিয়ে যৌনপল্লি তৈরি করেছে , যেখানে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ১০০ ইউরোর বিনিময়ে গ্রাহকরা সেক্স রোবট দিয়ে নিজেদের চাহিদা মেটাছে৷

আরও পড়ুনঃ আজব প্রস্তাব বন্ধুর সাথে সেক্স করলেই মিলবে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার!

আর এটা নিয়েই বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন  সেক্স রোবট গুলো মানুষের মনে সমাজ ও মানবিক যৌনতার ব্যাপারে একেবারে উল্টো ধারণা গড়ে দিতে পারে। এসব রোবটকে নারীর সমকক্ষ ও প্রেমিকার ভূমিকায় দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে কিছু  কোম্পানি । যা একেবারেই বাজে চিন্তা। যারা এ ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সেক্স রোবট তৈরি করে বাজারজাত করছে, তাদের অনেক দায়িত্বশীল ও নৈতিকতার দিকটি বিবেচনায় রাখা উচিত । সেই সঙ্গে কিছু নিয়ম নীতি না থাকলে বড় ধরনের বিপর্যয়ে ঘটে যেতে পারে ।

প্রেমিকার স্থান দখলে নিচ্ছে সেক্স রোবট – বিপর্যয়ে মানব সভ্যতা – যৌন কর্মীর ভূমিকায় রোবট

এ ছাড়াও সেক্স ডল নারীদের স্থান দখল করে নিচ্ছে,এই সেক্স ডল চীনের পুরুষদের যৌন চাহিদা মেটাতে নারীর বিকল্প হিসেবে কাজ করছে । সম্প্রতি এই সেক্স ডলের বিক্রি হু হু করে বেড়েই চলছে । বেইজিংয়ে বিক্রি হওয়া এরকম সেক্স ডলের মূল্য প্রায় ২৫০০’ ডলার। Tharmo -plastic Ilastroma নামে একধরনের রবারগোত্রীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি ওই সেক্স ডল গুলো যা সিলিকনের চাইতেও নরম এবং নারীর স্পর্শ কাতর অঙ্গ-প্রতঙ্গের মতো যৌনাঙ্গ রয়েছে । অবিকল জীবন্তের মতোই৷ নরম তুলতুলে শরীরে বিশেষ অঙ্গ-প্রতঙ্গ ৷ যৌনতার চাহিদা সে মিটিয়ে দিতে পারে৷ চায়নার বাজারে বিক্রি হচ্ছে এরকমই ‘সেক্স ডল’৷ তবে এই শেক্স ডল এমন কিছু সুবিধা দিচ্ছে যা সমাজিক পরিপন্থী নয়৷ যৌন হারেযমেন্ত কম হছে অথবা স্ত্রী এই মুহূর্তে যৌন সম্পর্কে অখম ।

আরও পড়ুনঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আমাদের ধ্বংস করতে পারে – স্টিফেন হকিং – Artificial Intelligence

নর্থ ক্যারোলিনার DUK University র professor ড. ক্রিস্টিন হেনড্রেন বলেন, জাপানের সেক্স রোবট প্রস্তুতকারকদের একজন স্বীকার করেছেন যে, এসব রোবটের কারণে তিনি সন্তানের ব্যাপারে আগ্রহী নন । এ ধরনের চিন্তা বাড়তে থাকলে মানব সভ্যতার বিপর্যয় ঘটবে । বিশ্ববাজারে বিভিন্ন দেশে এখন প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে সেক্স রোবট ও যৌন সামগ্রি। এর ফলে মানুষের রুচির পরিবর্তন আসছে । বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের পণ্য বাজারে ছড়িয়ে পড়লে এবং মানুষ তাদের দ্বারা যৌন চাহিদা পূরণ করতে থাকলে একপর্যায়ে রোবটকে মানুষের সমকক্ষ হিসেবে ভাবে ।

ইংল্যান্ডের গবেষক ক্যাথলিন রিচার্ডসন বলেন, যারা চাইলেই রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ান। তাদের কাছে নারীরা কেবল ওইসব রোবটের সমকক্ষ ভোগের বস্তু । সে ক্ষেত্রে নারীদের কেবল যৌনসঙ্গী হিসেবে ভাবার শঙ্কা রয়েছে। আর এরকম চিন্তা বাড়তে থাকলে সমাজ এগিয়ে যাবে ধ্বংসের দিকে।

কমপিউটার বিজ্ঞানী নোয়েল শারকি এমন সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন যে । সেক্স রোবট সমাজে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে, এমন সতর্কবাণী সত্ত্বেও কিন্তু বাজারে ক্রমবর্ধমান হারে এর চাহিদা বেড়েই চলছে। ‘সেক্স রোবটস অ্যান্ড আস’ শীর্ষক একটি Documentary তে এসব কথা বলেছেন। তিনি সতর্ক করেন, সেক্স রোবটের যেভাবে চাহিদা বাড়ছে তাতে সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ, মানুষের মানবিক, জৈবিক চাহিদা পূরণ খুব সহজ হয়ে যাবে। তখন একজন নারীর প্রতি পুরুষ বা একজন পুরুষ র প্রতি নারীর আকর্ষণ থাকবে না ।

আরও পড়ুনঃ বৃষ্টিতে মোবাইল ভিজে গেলে কি করবেন বা করণীয় কি?

নোয়েল শারকি তিনি অতীতেও অনেক বার সেক্স রোবট সম্পর্কে বিপদ সংকেত দিয়েছেন । কিন্তু কে শোনে কার কথা! সেক্স রোবটকে মানবীয় গুণ দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানী ও শিল্পপতিরা । গত বছরের শেষের দিকে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়েছে , কিছুদিনের মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ মানুষ রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তাতেই যৌন স্বাদ মেটাবে।

প্যারিসভিত্তিক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান হাভাস থেকে এ বিষয়ে জরিপ করা হয়। তাতে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সসীমার মধ্যে শতকরা ২৭ ভাগ মানুষ এমন সম্পর্ককে বেছে নেবে। এতে নারীদের তুলনায় এমন সম্পর্কে তিনগুন বেশি আগ্রহী পুরুষেরা । এরই মধ্যে জার্মানিতে চালু হয়েছে সেক্স রোবট দিয়ে প্রথম পতিতালয়।এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ডল-অনলি’।

জার্মানি ও অস্ট্রিয়াতে পতিতালয়গুলোতে সেক্স রোবট ব্যবহারের বৈধতা দিয়েছে সরকার । জার্মানির প্রতি ৫ জনের একজন বলেছে, তারা স্মার্ট সেক্স রোবট কিনে নেবে । এমন জরিপ প্রকাশিত হয়েছে জানুয়ারিতে। বিশ্বে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫টি প্রতিষ্ঠান এমন সব রোবট তৈরি করে বাজারে ছাড়ছে। এর প্রতিটির দাম পড়ছে ৫৪০০ থেকে ১৫ হাজার ডলারের মধ্যে। আর এর যে ক্রেতা সবি পুরুষ। এত বড় বাজার তৈরির পর নির্মাতারা আরো বাস্তবধর্মী রোবট তৈরির পরিকল্পনা করছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে মানুষের প্রকৃত পার্টনারের মতো আচরণ করবে সেক্স রোবট ।

আরও পড়ুনঃ পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং – আউটসোর্সিং এর কাজ করে বাড়তি উপার্জন করুন।

কীভাবে কাজ করে ‘সেক্স রোবট’?

মোটেও বাড়িয়ে বলছি না। Hollywood এর দুটি সিনেমায় তো দেখা গেছে এমনই ঘটনা। ‘হার (Her)’ এবং ‘এক্স মেশিনা’ নামের ছবি দুটিতে প্রেম হয়েছে মানুষে রোবটে। যৌন সম্পর্কেও জড়িয়েছে তারা। তবে এটাই প্রথম নয়, গ্রিক রূপকথা তেও আছে এমন কল্প কাহিনী। সেখানেও দেখা যায়, সাইপ্রাস দ্বীপের ভাস্কর পিগম্যালিয়ন তার নিজের তৈরি করা একটি মূর্তির প্রেমে পড়ে জান । তবে এবার সিনেমার এসব কল্পকাহিনী আর রূপকথাই কি সত্য হতে চলেছে? খুব শিগিরই কি পাওয়া যাবে ভালোবাসার রোবটকে? এসব প্রশ্ন আজকাল ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মাঝে । কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক মার্কিন বিশেষজ্ঞ Devit Levi  তার ‘লাভ অ্যান্ড সেক্স উইদ রোবটস’ বইতে লিখেছেন ২০৫০ সালের মধ্যেই বিয়ে করার উপযোগী রোবট তৈরি করা সম্ভব হবে। তার কথার ওপর ভিত্তি করে বলা যেতে পারে, যৌনতা এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন একটি বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে আমরা।

এর আগে বোঝা দরকার ‘সেক্স রোবট’ বলতে আসলে কী বুঝান হয়েছে। সেক্স রোবট হচ্ছে এমন স্মার্ট রোবট যার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন জায়। এর ভেতর এমন ধরনের ডিভাইস স্থাপন করা আছে যার মাধ্যমে রোবট টি তার সঙ্গীর মধ্যে সত্যিকারের যৌন অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের New Work University র যৌন সম্পর্ক বিষয়ক গবেষক শেলি রোনেন জানান, রোবটটি যাতে মানুষের মধ্যে যৌন অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে সেজন্য অনেক কিছুই ইতিমধ্যে আবিষ্কার করা হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক কোম্পানি অ্যাবাইস ক্রিয়েশনস। মানুষের মতো করেই তৈরি করা হয়েছে রিয়েল ডল । সেক্স রোবট তার ব্যবহারকারীর চোখ দেখেই বলে দিতে পারবে সে কী চাছে। ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ আনন্দ দেয়ার শিক্ষাও দেয়া হয়েছে এ রোবটকে।

বর্তমানে বাজারে রিয়েল ডলগুলোর ওজন ৪৭ কেজির মতো। তবে এরা নিজেরা নিজেদের ভারসাম্য রাখতে পারে না। সেক্স রোবটরা হবে এর ব্যতিক্রম । তারা নিজের ক্ষমতায় শুধু দাঁড়াতেই পারবে না, ঘুরে বেড়াতে পারবে চারপাশে। প্রয়োজন মতো ব্যবহার করতে পারবে নিজেদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ।

আরও পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কাজের চাহিদা বাড়ছে – Freelancing Work

প্রেমিকার স্থান দখলে নিচ্ছে সেক্স রোবট – বিপর্যয়ে মানব সভ্যতা – যৌন কর্মীর ভূমিকায় রোবট

যৌনকর্মীদের রোজগারেও ভাগ বসাবে সেক্স রোবট!

তবে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে মানবাধিকার কর্মীরা। এতে যৌনকর্মীদের আয় হারাতে হবে বলে আশঙ্কা করছে তারা । মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইতিমধ্যে এটির বিরুদ্ধে ‘দ্য ক্যাম্পেইন অ্যাগেইনস্ট সেক্স রোবট’ নামে একটি  প্রচার অভিযান শুরু করেছে। মানুষ তার যৌন চাহিদা পূরণের জন্য যায় যৌনকর্মীদের কাছে। যৌনতার বিনিময়ে উপার্জন করে এ পেশায় নিয়োজিতরা।

এছাড়া রয়েছে আরো প্রতিবন্ধকতা আছে। ব্যবসাটিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নয় উদ্যোক্তারা। ঋণ দিতে অনীহা প্রকাশ করেছে ব্যাংকগুলো ।আছে নানা আইনি জটিলতা। তাছাড়া এ ধরনের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও আছে নানা সমস্যা।

প্রথম দিকে সেক্স রোবটের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চিত মনে করা হয়েছিল। একদিকে তৈরির উচ্চ ব্যয়, অন্যদিকে নানা জটিলতায় এটি বাজারে আসতে পারবে না বলেই ধারণা করেছিলেন অনেকেই । তবে হাল ছাড়েনি অ্যাবাইস ক্রিয়েশনস। গত ২০ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে তারা। রিয়েল ডলকে তারা সেক্স রোবটে পরিণত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে তারা মেয়ে আকৃতির ‘হারমনি’ নামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন একটি সেক্স রোবট নির্মাণ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ আশেপাশে কতজন করোনা রোগী আছে জানিয়ে দেবে স্মার্টফোন – Corona Tester Apps

 

Harmony Doll নাচতে পারে, আবেদময়ী ভঙ্গিতে তাকাতে পারে । গল্প বলার ক্ষমতাও আছে এই সেক্স রোবট টিতে। মিউজিক, মুভি এবং বই নিয়ে সে গল্প করবে । মনে রাখতে পারবে আপনার বিশেষ দিন গুলো । শুধু তাই নয় , আপনি কী খেতে পছন্দ করেন, আপনার পরিবারের সদস্য দের নাম । যখন খুশি তখন যৌনতা তো থাকছেই। এরপরও এটিকে এখন পর্যন্ত ঠিক ‘সেক্স রোবটে’ রূপ দেয়া যায়নি।
বিশেষ কথা হল – এই সেক্স ডল যদি সত্য সতই আবিষ্কার হয় তাহলে অনেকি বিবাহ করবে না । বাচ্চা – কাচ্চা নিতে চাবেনা । আর সংসার করতে তো ভালই লাগে না অনেকেরই , এই ভাবে প্রথিবিতে মানব সভ্যতা বিলিন হয়ে যাবে ।

আশা করি এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে । আপনি কি? এই তথ্যগুলো আগে থেকেই জানতেন? কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন। লেখাটি ভাল লেগে থাকলে বন্দুদের মাঝে শেয়ার করুন ।আপনি কোন, বিষয়ে জানতে চান অথবা ভাল পরামর্শ দানে কমেন্ট করুন ।ধন্যবাদ!

আমাদের যোগাযোগের মাধ্যমঃ
Facebook Page                                                       YouTube Channel

 

 

 

সুত্রঃ বিবিসি / দ্য গার্ডিয়ান/ উইকিপেডিয়া অবলম্বনে

Share Now!

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.