ক্লাস ছুটি হলে আমাদের পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে কিন্ডারগার্টেন থেকে আনতে গেলে জানতে পারি স্কুলের প্রিন্সিপাল মহোদয় , আমাকে ওনার অফিসে দেখা করতে বলেছেন। প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করলাম , উনি কোন কথা না বলেই আমার হাতে এক টুকরো কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বললেন … নিন, এই ছবিটা আপনার মেয়ে আজকের ড্রয়িং ক্লাসে এঁকেছে! ওনার মুখ দেখে বুঝতে পারলাম, ব্যাপারটায় উনি যথেষ্ট বিচলিত ও বিব্রতবোধ করছেন এবং একই সাথে আমার জন্য সহমর্মিতাও ছিল তার চেহারায়।
আরও পড়ুনঃ পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং – আউটসোর্সিং এর কাজ করে বাড়তি উপার্জন করুন।
আপনার দেখা সবচেয়ে অদ্ভুত চিত্র কোনটি, যেটি কোনো এক শিশু এঁকেছে?
সন্ধ্যায় মেয়ের মা আর আমি মেয়ের আঁকা ছবিটা নিয়ে গভির মনোযোগ দিয়ে দেখলাম এবং বুঝার চেষ্টা করলাম, ও আসলে কি আঁকতে চেয়েছিল। মেয়ে তার মায়ের কোলে বসেছিল এবং আমরা বিভিন্ন উপায়ে, ইনিয়ে বিনিয়ে তাকে নানান কথা জিঞ্জেস করছিলাম । সেই আলোচনার কিছু অংশ নিম্নরুপঃ
আমিঃ (মেয়ের আঁকা ছবিটা টেবিলে রাখলাম এবং তাকে জিঞ্জেস করলাম) মামনি, আজকে স্কুলে ড্রয়িং ক্লাসে তুমি যে ছবিটা এঁকেছো এর সম্পর্কে আমাকে একটু বলতো মা।
মেয়েঃ ওহ, এটা! এটাতো আমার অনেক পছন্দ! তুমিও এটা পছন্দ করো?
আমিঃ হ্যাঁ মামনি, আমিও পছন্দ করি। তুমি কি এর সম্পর্কে আমাকে কিছু বলতে পারবে?
মেয়েঃ বাবা আমি এটা আজকে আমাদের স্কুলে ড্রয়িং ক্লাসে এঁকেছি।
আমিঃ ছবিটা ঠিক আছে, সুন্দর হয়েছে। কিন্তু বাবাকে একটু বলোতো মা তুমি এখানে কি আঁকতে চেষ্টা করেছো?
মেয়েঃ আমরা সবাই মিলে আমাদের খুব প্রিয় একটা জিনিস এঁকেছি বাবা ।
এবার মেয়ের, মায়ের চোখ কপালে উঠে গেল। আমার কপালে চিন্তার ভাজ, গভির ভাবে ছবিটা ভালভাবে বুঝার চেষ্টা করছি এমন ভাব করে আমি তা লুকানোর চেষ্টা করলাম।
আরও পড়ুনঃ করোনার ভয়ে অন্য রোগ কে অবহেলা নয়, সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই নিয়ম গুলো।
আমিঃ তা তো ঠিক আছে মামনি, আমাকে বলত, তোমরা তোমাদের কোন প্রিয় জিনিসটা এখানে এঁকেছো তা বাবাকে একটু বলো।
মেয়েঃ বাবা! তুমি কি বোকা!। তুমি এখানে দেখতো পাচ্ছো না, একটা টেবিলের উপর রাখা একটা মাফিন কেকের ছবি এঁকেছি।
মেয়ের উত্তর শুনে, মেয়ের মা তো হাসতে হাসতে ফ্লোরে লুটোপুটি খাওয়ার দশা।
আমিঃ হ্যাঁ তাই তো মা। ওয়াও, এটাতো খুব সুন্দর হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আজব প্রস্তাব বন্ধুর সাথে সেক্স করলেই মিলবে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এই গল্পটি আপনাদের কেমন লেগেছে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবেন। লেখাটি ভাল লেগে থাকলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন । এরকম অদ্ভুত মজার মজার গল্প নিয়ে হাজির হবো ।ভাল থাকবেন, অপরকে ভাল রাখবেন।ধন্যবাদ!
আমাদের যোগাযোগের মাধ্যমঃ
Facebook Page YouTube Channel
সবাইকে ধন্যবাদ মূল লেখক Alexander Collier এবং তার মামনি।