আয়াতুল কুরসি কুরআনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আয়াত।
এই আয়াত পাঠ করার রয়েছে অসংখ্য ফজিলত ও উপকারিতা, যা আমাদের জীবনকে নিরাপদ ও বরকতময় করে তোলে।
হাদিসে এসেছে—যে ব্যক্তি রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জন্য আল্লাহ একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেন, যিনি তাকে সারারাত রক্ষা করেন।
আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত
এক, ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পড়লে, ৭০ হাজার ফেরেশতা আপনাকে হেফাজত করবে।
দুই, ঘরে প্রবেশ করার আগে পড়লে অভাব দূর হবে।
তিন, ওযুর পর পড়লে আল্লাহর দরবারে আপনার ৭০ ধাপ মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।
চার, রাতে ঘুমানোর সময় তিনবার পড়লে, সারারাত আপনি আল্লাহর নিরাপত্তায় থাকবেন।
পাঁচ, ফরজ নামাজের পর পড়লে মৃত্যুর পর, আপনার এক পা জমিনে এবং অন্য পা জান্নাতে থাকবে।
এরকম ইসলামী গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও পেতে Holy Islamic Story ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে দিন।
👉 প্রতিদিন এই আমলটি করার চেষ্টা করুন
👉 ভিডিওটি শেয়ার করুন, অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন
اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ
لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ
لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ
مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ
وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ
وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ
وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ
وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।
লা তা’খুজুহু সিনাতুন ওয়ালা নাওম।
লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ।
মান যাল্লাজি ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বিইজনিহ।
ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম।
ওয়ালা ইউহিতুনা বিশাই’ইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা।
ওয়াসিয়া কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ।
ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা।
ওয়াহুওয়াল আলিয়্যুল আযীম।
বাংলা অর্থ
আল্লাহ—তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
তিনি চিরঞ্জীব, সর্বকিছুর ধারক ও রক্ষণাবেক্ষণকারী।
তাঁকে তন্দ্রা বা নিদ্রা স্পর্শ করে না।
আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সবই তাঁর।
কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে?
তাদের সামনে ও পেছনে যা আছে, সবই তিনি জানেন।
তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না, তবে তিনি যা চান তা ছাড়া।
তাঁর কুরসি (সিংহাসন) আসমান ও জমিন পরিব্যাপ্ত।
এসবের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না।
তিনি মহান, সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
