
গ্রামীণফোনকে নিষেধাজ্ঞা – গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মোবাইল অপারেটর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। মানসম্মত সেবা অর্থাৎ কোয়ালিটি অব সার্ভিস দিতে না পারায় তাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি।
এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গ্রামীণফোন নতুন কোন সিম বিক্রি করতে পারবে বলে জানিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
এদিকে, এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছে টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব)।
[lwptoc min=”2″ depth=”6″ hierarchical=”1″]
গ্রামীণফোনকে নিষেধাজ্ঞা বিটিআরসির – সিম বিক্রিতে মানা
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা অনেক চেষ্টা করেও সেবার মান ভালো করার কোনো উদ্যোগ নিতে দেখিনি গ্রামীণফোনকে। তারা গ্রাহক বাড়াচ্ছে, কিন্তু সেবার মান বাড়াচ্ছে না। যতদিন না তারা সেবার মান ভালো করবে এবং তা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না হবে ততদিন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এদিকে বিটিআরসি এ বিষয়ক একটি নির্দেশনা গ্রামীণফোনে পাঠিয়েছে। গ্রামীণফোন গ্রাহকদের কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিত করতে পারলেই তবেই না নতুন সিম বিক্রি করতে পারবে বলে জানা গেছে।
গত মে পর্যন্ত গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার। এর বিপরীতে তরঙ্গ রয়েছে ১০৭ দশমিক ৪০ মেগাহার্টজ। বর্তমানে এক মেগাহার্টজ তরঙ্গে গ্রামীণফোন ১৪ লাখ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ
ইন্টারনেট ছাড়াই জি-মেইল ব্যবহার করার উপায়
আরও পড়ুনঃ
>> ডিজিটাল মুদ্রা চালুর আভাস দিলেন অর্থমন্ত্রী
>> ঢাকার রাস্তায় ‘ চালকবিহীন রিকশা ‘ ভিডিও ভাইরাল
>> টিকটকে আয়ের নতুন সুযোগ আসছে
এক বিজ্ঞপ্তিতে টিক্যাবের আহ্বায়ক মুর্শিদুল জানান যে, মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবার মান মূলত নির্ভর করে গ্রাহক অনুপাতে তার বেতার তরঙ্গ বা স্পেকট্রামের পরিমাণ কত, অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক, মোবাইল টাওয়ার ও আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করে।
কিন্তু আমাদের মোবাইল অপারেটরগুলোর অবস্থা একেবারে নাজুক। বিটিআরসি, আইটিইউ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সেবার মানদণ্ডের মাপকাঠিতে আমাদের দেশের অপারেটর গুলো একেবারে নিচের সারিতে।
ইন্টারনেটের গতি মাপার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওকলার মতে, জুন ২০২১ সালের ‘স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স’ এর অনুসারে বিশ্বের ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫ তম। বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে শুধুমাত্র যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা চরম অর্থনৈতিক সংকটের দেশ ভেনেজুয়েলা।
বর্তমানে টেলিটক ৬৪ ভাগ, বাংলালিংক ৩১ ভাগ, রবি ১৮ ভাগ এবং গ্রামীণফোন মাত্র ১২ ভাগ অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে থাকে। বছরের পর বছর ধরে নিম্নমানের সেবা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
আপনি কোন অপারেটর ব্যবহার করে । আপনার কি এই সেবার মান নিয়ে সন্তস্ট আছেন থাকলে তা কমেন্টে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ